পাঁচ দিন ধরে তাসরিফের মুখটা বেঁকে গেছে। গত সোমবার তিনি প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, রোগটি সম্পর্কে জানার পরপরই চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। আজ বুধবার দুপুরে প্রথম আলোর সঙ্গে যখন তাঁর কথা হয়, তখন তিনি ফিজিওথেরাপি নিতে কলাবাগান যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, ‘নিয়মিত চিকিৎসকদের পরামর্শ নিচ্ছি। পঞ্চম দিনের মতো আজ ফিজিওথেরাপি নিতে যাচ্ছি নতুন একটি ফিজিওথেরাপি সেন্টারে। পর্যবেক্ষণ করতে চাচ্ছি। এই কয় দিনের অভিজ্ঞতায় ফিজিওথেরাপি যেখানে সন্তোষজনক মনে হবে, এরপর সেখান থেকেই নিয়মিত এই থেরাপি নেব। সঙ্গে ওষুধও চলবে।’
তাসরিফ জানালেন, প্রতিদিন একবার করে তাঁর ফিজিওথেরাপি নিতে হবে।
মা–বাবা কিছুটা দুশ্চিন্তা করলেও তাসরিফ নিজেই তাঁদের বুঝিয়েছেন, সব ঠিক হয়ে যাবে। কারণ, এ ধরনের ৯৫ ভাগ রোগীই সঠিক চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে এক থেকে দুই মাস সময় লেগে যায়। তাসরিফ জানিয়ে রাখলেন, সব ধরনের পরিস্থিতির জন্যই তিনি তৈরি আছেন। বললেন, ‘কেউই বলেনি এটা শতভাগ ভালো হয়ে যাবে। এই রোগটা ঘাবড়ে যাওয়া মতো ব্যাপার। তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, প্রপার ট্রিটমেন্ট হলে রোগী শতভাগ সুস্থ হয়-ই। সেই পথেই আমি হাঁটছি। ঝুঁকি নিতে চাইছি না। সবার দোয়া থাকলে হয়তো, এক মাসেও সুস্থ হয়ে যেতে পারি।